খালেদা জিয়ার উক্তিগুলো তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক সভায় করেছেন। তিনি একজন অপরাজেয় সৈনিক কেননা, তিনি কোনো ভাবেই তার প্রিয় মাতৃভূমি ত্যাগ না করে এখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এতে প্রকাশ পেয়েছে তার প্রকৃত দেশপ্রেম। খালেদা জিয়া বাংলাদেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেত্রী। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন এবং দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। রাজনৈতিক জীবনে তিনি গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের কথা জোর দিয়ে তুলে ধরেছেন। নানা সংকট ও বিতর্কের মধ্যেও তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রভাবশালী একটি নাম।
খালেদা জিয়ার উক্তি
আমার এই স্বজনহীন জীবনে দেশবাসীই আমার স্বজন। আল্লাহ আমার একমাত্র ভরসা। আমি যেমন থাকি, যেখানেই থাকি, যতক্ষণ বেঁচে থাকব দেশবাসীকে ছেড়ে যাব না।
এদের পচতে আরো একটু সময় দিতে হবে। এজন্য আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। এই আওয়ামী লীগ একদিন পঁচে গলে দুর্গন্ধ ছড়াবে। … আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন এই সরকার জনবিক্ষোভে ‘করুণভাবে’ বিদায় নেবে। সবাই যখন এদের বিরুদ্ধে ঘর থেকে বেরিয়ে আসবে, তখন তারা জনগণের কাছে এসে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হবে।
তিনি (শেখ মুজিব) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হত না।
“গণতন্ত্র কেবল নির্বাচনের নাম নয়; গণতন্ত্র মানে মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার এবং আইনের শাসন।”
“আমি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য রাজনীতি করি না, আমি রাজনীতি করি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। জনগণের ভালোবাসাই আমার শ্রেষ্ঠ পুরস্কার।”
“বাংলাদেশ ছোট দেশ হতে পারে, কিন্তু আমরা বীরের জাতি। আমরা কারো কাছে মাথা নত করে বাঁচতে শিখিনি এবং কোনো আধিপত্য মেনে নেব না।”
“একটি মেয়েকে শিক্ষিত করা মানে একটি গোটা পরিবারকে শিক্ষিত করা। তাই নারী শিক্ষাকে আমরা সবসময় অগ্রাধিকার দিয়েছি।”
“জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। যখন জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়, তখন রাষ্ট্র তার নৈতিক ভিত্তি হারিয়ে ফেলে।”
“আমাদের পররাষ্ট্রনীতি হবে সবার সাথে বন্ধুত্ব, কিন্তু কারো গোলামি নয়। দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে কোনো চুক্তি আমরা মেনে নেব না।”
“শহীদ জিয়ার আদর্শ ছিল স্বনির্ভর বাংলাদেশ। আমরা ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে কারো দ্বারে দ্বারে ঘুরতে চাই না, আমরা নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে চাই।”
“কারাগার আমার জন্য নতুন কিছু নয়। মিথ্যে মামলায় জেলে নিয়ে বা ভয় দেখিয়ে আমাকে জনগণের থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।”
“ভোট দেওয়ার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে।”
“গণতন্ত্রহীন দেশে উন্নয়ন হয় শুধু একটি বিশেষ গোষ্ঠীর, সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন সেখানে হয় না।”
“আমার বিরুদ্ধে শত শত মামলা দিয়ে আন্দোলন থামানো যাবে না। সত্যের পথ সবসময় কঠিন হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সত্যেরই জয় হয়।”
“আমি কোথাও পালিয়ে যাইনি, বিপদে দেশের মানুষকে ফেলে যাওয়ার রক্ত আমার শরীরে নেই। আমি এ দেশেরই মেয়ে, এ দেশেই থাকব।”
“সীমান্তে আমাদের সাধারণ মানুষ প্রাণ দেবে আর আমরা চুপ করে থাকব, এমন নতজানু নীতি আমরা বিশ্বাস করি না।”
“তরুণ প্রজন্মের হাতেই আগামীর বাংলাদেশ। তাদের জন্য আধুনিক শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”
“আপনারা মনোবল হারাবেন না, ন্যায়ের লড়াইয়ে জয় আমাদের হবেই। আঁধার কেটে যাবেই, ইনশাআল্লাহ আলোর দেখা মিলবে।”
“কৃষক ও শ্রমিকরা দেশের প্রাণ। তাদের ঘামেই এ দেশের অর্থনীতির চাকা ঘোরে, তাই তাদের পাওনা আগে বুঝিয়ে দিতে হবে।”
“রাজনীতিতে চড়াই-উতরাই থাকবেই, কিন্তু আদর্শ থেকে বিচ্যুত হওয়া মানে নিজের অস্তিত্বকে বিলীন করে দেওয়া।”

“আমি এমন এক বাংলাদেশ দেখতে চাই যেখানে কোনো মানুষ না খেয়ে থাকবে না এবং প্রতিটি নাগরিক আইনের সমান আশ্রয় পাবে।”
“মেয়েরা যদি শিক্ষিত হয়, তবে পুরো সমাজ শিক্ষিত হবে—এই বিশ্বাস থেকেই আমরা অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলাম।”
“বিগত দিনে আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি, আজও করছি এবং ভবিষ্যতেও জনগণের অধিকার রক্ষায় রাজপথে থাকব।”
“জনগণের চোখের ভাষা বুঝতে শিখুন। জোর করে ক্ষমতা দখল করে রাখা যায়, কিন্তু মানুষের মন জয় করা যায় না।”
“একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের মাথা উঁচু করে চলার অধিকার আছে, কারো হুকুম মানার জন্য আমরা স্বাধীন হইনি।”
আন্দোলনের বাতাস শুরু হলে চুল তো থাকবেই না, অস্তিত্বেও টান পড়তে পারে। জনগণের আন্দোলনের বাতাসে চুল এলোমেলো হয়ে যাবে। দিশেহারা হয়ে যাবেন।
মুক্তিযুদ্ধকালে সত্যিকারে যারা সাধারণ মানুষকে অত্যাচার করেছিল বিএনপিও তাদের বিচার চায়। কিন্তু সেটি হতে হবে আন্তর্জাতিক মানসম্মত, স্বচ্ছ।
বলা হয়, এত লক্ষ লোক শহীদ হয়েছে। এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে যে, আসলে কত শহীদ হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে, এটা নিয়েও বিতর্ক আছে।
দেশে আজ সত্যিকারের সংসদ নেই। নেই বিরোধী দল। শাসকদের কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। সশস্ত্র বাহিনীর সর্ম্পকে বৈরী প্রচারণা ও ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের বিরুদ্ধে দাড় করানো হয়েছে।